শিক্ষক-শিক্ষার্থী উভয়েই প্রশ্ন জমা দিতে হবে প্রশ্ন ব্যাংকে!

দেশের সকল শিক্ষাবোর্ডে প্রশ্ন ব্যাংক চালুর উদ্যোগ নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এ ব্যাংকে শিক্ষক-শিক্ষার্থী উভয়েই প্রশ্ন জমা দিতে পারবে। এতে করে সৃজনশীল শিক্ষা পদ্ধতি আরো কার্যকরী হবে। সে সাথে প্রশ্ন বাণিজ্য ও কোচিং নির্ভরতা কমবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। আন্তঃবোর্ডের সিদ্ধান্তে প্রশ্নব্যাংক পরিচালনায় সফটওয়্যারটি ডেভেলপ করা হলে আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে স্কুল পর্যায়ের পরীক্ষা নেয়া সম্ভব হবে।

শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশে পাঠ্য বইমুখী করার লক্ষ্যে শিক্ষামন্ত্রণালয় ২০০৮ সালে দেশে পরীক্ষামূলকভাবে সৃজনশীল শিক্ষা পদ্ধতি চালু করে। এছাড়া গাইড বই, কোচিং নির্ভরতা ও প্রশ্নবাণিজ্য রোধের চিন্তাও ছিল মন্ত্রণালয়ের। বর্তমানে স্কুল পর্যায়ের সকল পরীক্ষা, এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষাও এ পদ্ধতিতে নেয়া হচ্ছে। তবে এটাকে আরো কার্যকরী করতে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে প্রশ্ন ব্যাংক গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে মন্ত্রণালয়।

আর তা বাস্তবায়নে কাজ করছে যশোর ও বরিশাল শিক্ষা বোর্ড। যশোর শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মাধব চন্দ্র রুদ্র বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে আমরা সভা-সেমিনারের মাধ্যমে একটি সুপারিশমালা তৈরি করি। এই সুপারিশমালা এখন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে আন্তঃবোর্ড পর্যায়ে রয়েছে।’

প্রশ্ন ব্যাংক গঠন সম্ভব হলে শিক্ষক ও শিক্ষার্থী উভয়েই লাভবান হবে বলে মনে করছেন  শিক্ষকরা। যশোর শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর আবদুল মজিদ জানালেন, প্রশ্নব্যাংক পরিচালনায় সফটওয়্যারটি ডেভেলাপ করা হলে আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে স্কুল পর্যায়ের পরীক্ষা নেয়া সম্ভব হবে। যশোর শিক্ষাবোর্ডের অধীনে খুলনা বিভাগের ১০টি জেলায় ২ হাজার ৭শ’ স্কুল ও ৬শ’ কলেজ রয়েছে।